টোল আদায়ের মাধ্যমে ৩৫ বছরে উঠে আসবে পদ্মা সেতুর নির্মান ব্যয়

লেখক: বাংলা২৪ ভয়েস ডেস্ক
প্রকাশ: ৭ মাস আগে

আগামী ২০৫৭ সালের মধ্যে পদ্মা সেতুর উপর দিয়ে চলাচলকারী যানবাহনের টোল আদায়ের মধ্য দিয়ে সেতুর ব্যয় উঠে আসবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, পদ্মা সেতু থেকে আদায়কৃত টোল থেকে ৩৫ বছরে ১৪০টি ত্রৈমাসিক কিস্তিতে সরকার প্রদত্ত সমুদয় ঋণ পরিশোধ করবে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ।

সোমবার (২৭ জুন) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে এ তথ্য জানান সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

সরকারি দলের সংসদ সদস্য খ. মমতা হেনা লাভলীর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা জানান। এসময় পদ্মা সেতু নির্মাণ ও উদ্বোধনের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

সরকারি দলের সদস্য এ কে এম রহমতুল্লাহর আরেক প্রশ্নের জবাবে সেতুমন্ত্রী জানান, সেতু কর্তৃপক্ষের আওতায় দুটি সেতু থেকে টোল আদায় করা হয়ে থাকে। সেতু দুটি হলো যমুনা নদীর ওপর বঙ্গবন্ধু সেতু ও ধলেশ্বরী নদীর ওপর মুক্তারপুর সেতু। সেতুগুলো স্বয়ংক্রিয় ওজন স্কেলের মাধ্যমে চলাচলকারী যানবাহনের ওজন নির্ণয় করা হয়ে থাকে। যেসব ট্রাক ওজন স্কেলের নির্ধারিত ওজনের অতিরিক্ত পণ্য বহন করে সেসব যানবাহনকে সেতুতে চলাচল করতে দেওয়া হয় না।

আওয়ামী লীগের মো. শামসুল হক টুকুর প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের জানান, সেতু বিভাগের আওতায় পাটুরিয়া-দৌলতদিয়ায় দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণের লক্ষ্যে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনা করা হয়েছে। পরবর্তীতে নির্দেশনা পাওয়া গেলে সেতু নির্মাণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিরোধীদলীয় সদস্য মো. ফখরুল ইমামের প্রশ্নের জবাবে সড়ক পরিবহন মন্ত্রী জানান, সরকার প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ স্থাপনের লক্ষ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক ফোরামের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। এসব আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতা ফোরামের সদস্য হওয়ার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের সড়ক নেটওয়ার্কের মধ্যে অবস্থিত বিভিন্ন সড়ক রুট, ‘আঞ্চলিক রুট’ হিসেবে চিহ্নিত রয়েছে। এসব আঞ্চলিক রুটের আওতায় বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সড়ক করিডোরগুলো যথাযথ মানোন্নয়নে দৃশ্যমান অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। এছাড়া বেশকিছু সড়ক উন্নয়নের কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বিডি/ডেস্ক