ঠাকুরগাঁওয়ে নতুন ভোটারের লক্ষ্যমাত্রা ৩৪ হাজার

লেখক: নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ৯ মাস আগে

ঠাকুরগাঁওয়ে শুরু হয়েছে বাড়ি বাড়ি গিয়ে নতুন ভোটার হালনাগাদ কার্যক্রম। কোন রকম ভোগান্তি ছাড়া ভোটার তথ্য হালনাগাদ করতে পেরে খুশি নতুন ভোটাররা। এদিকে নতুন ভোটার হতে সব ধরনের সহায়তার কথা জানিয়েছেন নির্বাচন কর্মকর্তা।

আগে জাতীয় পরিচয়পত্র পেতে, ভোটার হতে গেলে লাইনে দাঁড়ানো, তাড়াহুড়ো করে তথ্য দেওয়া, তথ্যে ভুল হওয়াসহ নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হতো। তবে নির্বাচন কমিশন থেকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহের মধ্য দিয়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসূচিতে নতুন ভোটার ও খুশি অভিভাবকরা।

ঠাকুরগাঁও পৌরসভা এলাকার বাসিন্দা শারমিন সুলতানা ব‌লেন, ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ায় কেবল নতুন ভোটার নয়, ইচ্ছে জাতীয় পরিচয়পত্র হাতে পাবার। ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসূচীতে নিজের তথ্য দিয়ে নতুন ভোটার ফরম পূরণ করে‌ছি, এতে আমি খু‌শি।

নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, আগামী তিন বছরের মধ্যে যাঁরা ভোটার হওয়ার যোগ্য (১৮ বছর) হবেন, তাঁদের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। সে হিসাবে ২০০৭ সালের ১ জানুয়ারি বা তার আগে যাঁদের জন্ম, এই হালনাগাদ কার্যক্রমে তাঁদের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এর মধ্যে যাঁদের জন্ম ১ জানুয়ারি ২০০৫ বা তার আগে, তাঁদের ভোটার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা আগামী বছরের ২ মার্চ প্রকাশ করা হবে। আর যাঁদের জন্ম ১ জানুয়ারি ২০০৬ বা তার আগে, তাঁদের অন্তর্ভুক্ত করে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে ২০২৪ সালের ২ মার্চ এবং যাদের জন্ম ২০০৭ সালের ১ জানুয়ারি বা তার আগে, তাঁদের অন্তর্ভুক্ত করে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে ২০২৫ সালের ২ মার্চ।

ঠাকুরগাঁও সদর উপ‌জেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ রেজাউল ইসলাম জানায়, ২০০৭ সালের আগে জন্ম নেয়া যে কেউ এই ভোটার হালনাগাদে তালিকাভুক্ত হতে পারবে। ১৯৮ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও ৪১ জন সুপারভাইজারের সমন্বয়ে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা এলাকায় এ কাজ সম্পন্ন করা হচ্ছে।

তি‌নি ব‌লেন, দেশব্যাপি ২০ মে শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া ভোটার হালনাগাদ কার্যক্রম চলবে আগামী ৯ জুন পর্যন্ত। এই সময়ে নতুন ভোটারের তথ্য সংগ্রহ, মৃত ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ ও ভোটার স্থানান্তরের কাজ চলবে। ঠাকুরগাঁও সদরে এবার ৩৪ হাজার ১৮৩ জন নতুন ভোটারের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিডি/আপেল