ঠাকুরগাঁওয়ে বিয়ের দাবিতে সেনা সদস্যর বাড়িতে প্রেমিকা

লেখক: নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ৪ মাস আগে

তিন বছর ধরে ভালোবাসার সম্পর্ক, ভালোবাসা গড়িয়েছে বিছানা পর্যন্ত। অতপর বিয়ের কথা বলায় নারাজি প্রেমিক সেনা সদস্য, উপায় না পেয়ে অবশেষে বিয়ের দাবিতে সেনা সদস্যর বাড়িতে গিয়ে উঠেছে এক প্রেমিকা।ঘটনাটি ঘটেছে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রহিমানপুর ইউনিয়নে। এদিকে প্রেমিকের পরিবার কৌশলে প্রেমিককে বের করে দিয়ে বিয়ের দাবি তোলা প্রেমিকাকেও জোরপূর্বক বাসা থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ প্রেমিকা আশা আক্তারের।

আশা আক্তার ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রহিমানপুর ইউনিয়নের মাদারগঞ্জ কৃষ্ণপুর গ্রামের জবাইদুরের মেয়ে, আর প্রেমিক নুর মোহাম্মদ ওরফে সুজন ওরফে বাবু পেশায় একজন সেনা সদস্য ও একই এলাকার ফকিরপাড়া গ্রামের সাবেক সেনা সদস্য ওসমান গণির ছেলে।

জানা যায়, প্রেমিকা আশা বিয়ের দাবিতে বৃহস্পতিবার সকাল নয়টা থেকে অবস্থান নেন একই এলাকার ওসমান গণীর ছেলে সেনা সদস্য সুজনের বাড়িতে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রেমিক সুজনের বাড়ির বারান্দায় বসে আছে প্রেমিকা আশা।

আশা জানায় এই বাড়িতে ঢুকার পর চার-পাঁচজন বাড়ির সদস্য ঘর থেকে বের করে তাকে বারান্দায় বসিয়ে দেয়। তবে কেউ গায়ে হাত দেয়নি। আশা আরও জানায়, ওসমানের ছেলে সুজনের সাথে তার তিন বছর ধরে সম্পর্ক। এরমধ্যে একাধিকবার শারিরীক সম্পর্ক ও হয় তাদের মধ্যে। সম্প্রতি আশা সুজনকে বিয়ের প্রস্তাব দিলে সে তালবাহানা করতে থাকে। অবশেষে সুজন ছুটিতে বাড়িতে আসলে আশা বৃহস্পতিবার তার বাড়িতে অবস্থান নেয়।

আশা আরও জানায়, সুজনকে না পেলে সে আত্নহত্যা করবে।

এ ব্যাপারে আশার বাবা জবাইদুর রহমান বলেন,আমাদের বাসার ছেলে অনেকবার এসেছে, আমার মেয়ের সাথে যাতে কোনো অবিচার করা না হয়। আমি এর ন্যায্য বিচার চাই।

সুজনের বাবা ওসমানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি মুঠোফোনে কথা বলতে রাজি হননি।

এ ব্যাপারে রহিমানপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল হান্নান হান্নুর সাথে কথা বললে তিনি জানান, আমি স্থানীয় ইউপি সদস্যকে দায়িত্ব দিয়েছি মেয়েকে বোঝানোর জন্য। একটা বসার পরিবেশ হলে প্রয়োজনে তাদের বাড়িতে অথবা ইউনিয়ন পরিষদে বসবো সমাধানের জন্য।

বিডি/আরএফ