ঠাকুরগাঁও থেকে অপহৃত স্কুল ছাত্রী গাজীপুর থেকে উদ্ধার

লেখক: আব্দুল আউয়াল, ঠাকুরগাঁও
প্রকাশ: ৪ মাস আগে

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার গড়েয়া গোপালপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে অপহরনের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার ওই ছাত্রীর পিতা বাদী হয়ে ৫ জনের নাম উল্লেখ করে ২-৩ জনকে অজ্ঞাত করে সদর থানায় এ মামলাটি দায়ের করেন।

গত মঙ্গলবার গাজীপুর থেকে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়। মামলার বিবরণে জানা যায়, মামলার প্রধান আসামী মো: কামরুজ্জামান বিবাহিত এবং তার শ্বশুড় বাড়ি ওই ছাত্রীর বাড়ির পাশ্ববর্তী স্থানে। শ্বশুড়বাড়িতে যাতায়াতের সুবাধে ওই ছাত্রীর সাথে কামরুজ্জামানের পরিচয় ও মোবাইল ফোন নাম্বার লেনদেন হয়। পরবর্তিতে মোবাইলে ওই ছাত্রীকে কামরুজ্জামান বিভিন্ন কু-প্রস্তাব ও বিবাহের জন্য প্রস্তাব দেয়।

এরই ধারাবহিকতায় গত ১৯ সেপ্টেম্বর ওই ছাত্রী বাড়ি থেকে বের হয়ে বিদ্যালয়ের সামনে গেলে মামলার আসামী মো: কামরুজ্জামান (২৮) ও তার সহযোগীরা তাকে অপহরণ করে নিয়ে পালিয়ে যায়। সন্ধা অবধি ওই ছাত্রী বাড়িতে না ফিরলে বাড়ির লোকজন তাকে খোঁজাখুজি শুরু করে। পরে বিভিন্ন স্থানে ও আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে কয়েকদিন খোঁজাখোজির পর না পেয়ে ২৭ সেপ্টেম্বর সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী জমা করেন।

পরবর্তিতে ওই ছাত্রীর পিতা জানতে পারেন তার মেয়েকে পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ থানার কালিগঞ্জ গ্রামের মো: আব্দুর রহিমের ছেলে মো: কামরুজ্জামান (২৮) কয়েকজন সহযোগীসহ অপহরণ করে নিয়ে গাজীপুরে তার বড় ভাইয়ের বাড়িতে আটক রেখেছেন। ওই ছাত্রীর পিতা ও তার ভাই গাজীপুরের গাছা থানার কুনিয়া বড়বাড়ী গ্রামের জনৈক শফিকুল ইসলামের বাড়ি (কামরুজ্জামানের ভাইয়ের ভাড়া নেওয়া বাড়ি) থেকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁওয়ে নিয়ে আসেন।

এ মামলায় কামরুজ্জামান সহ অন্যান্য আসামীরা হলেন, তার পিতা মো: আব্দুর রহিম (৬০), মা বাছিরন (৫৫), বোন সেলিনা আক্তার (২২), বড় ভাই মামুন শেষ (৩৫) সহ অজ্ঞাতনামা ২/৩ জন।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।

বিডি/আউয়াল